• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
logo
শিরোনাম
হেপাটাইটিসমুক্ত দেশ গড়তে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বাধ্যতামূলক অবসরে ৩২ জেলা প্রশাসক আন্তর্জাতিক মানে গড়ে তোলা হবে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা: প্রতিমন্ত্রী টুকু সৌদির তেল স্থাপনায় হুথিদের ড্রোন হামলার দাবি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর সাথে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ উন্নয়ন-সুশাসনে সবাইকে পাশে চাইলেন সারিয়াকান্দির নবাগত ইউএনও দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিলেন মির্জা ফখরুল লুলাকে ‘চোর’ বললেন মিলেই, রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করল ব্রাজিল হাসপাতালের শৌচাগারে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ, সাময়িক বরখাস্ত হলেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে শেষ ধাপে সরকার

‘না’ ভোটে বিশেষজ্ঞদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া

  নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ:  ১৩ আগস্ট ২০২৫, ০৪:৪৭ পি.এম.
শেয়ার করুন 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

দেশে নির্বাচন পরিচালনার জন্য যতগুলো আইন রয়েছে, তার মধ্যে মূল আইন হলো গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ বা আরপিও। ১৯৭২ সালে প্রণীত এই আদেশে এর পর থেকে একাধিকবার সংশোধন আনা হয়েছে।

বর্তমান সরকারের আমলে আবারও এই আদেশ পরিবর্তনের উদ্যোগ নেয় নির্বাচন কমিশন। সোমবার আরপিও সংশোধনী চূড়ান্ত করেছে কমিশন, যার অনেক ধারাই আওয়ামী লীগ সরকার পরিবর্তন করেছে।

নির্বাচন কমিশনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। তাদের মতে, এর ফলে নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার পথ মসৃণ হবে।

তবে নির্বাচন বিশ্লেষক জেসমিন টুলির মতে, ‘না’ ভোট বৈষম্য সৃষ্টি করতে পারে, যদিও এর সফলতা নির্ভর করছে বাস্তবায়নের ওপর।

তিনি বলেন, “সাধারণ নির্বাচনে ব্যালট পেপারে এক অংশের জন্য ‘না’ ভোট থাকবে, আরেক অংশের জন্য থাকবে না এতে অনেকে বিভ্রান্ত হবে। ‘না’ ভোট থাকলে জানা মাত্র বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হওয়ার কথা যেসব প্রার্থীর, তাদের বিপক্ষে এক বা একাধিক ‘ডামি’ প্রার্থী দাঁড় করানো হতে পারে। এতে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে।”

বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনী পরিবেশ এমন হওয়া উচিত যাতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা সৃষ্টি হয় এবং প্রার্থীরা নির্ভয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারেন। 

ভিওডি বাংলা/ এমপি


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ছবি: সংগৃহীত
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে সিইসির বৈঠক শুরু
ছবি: সংগৃহীত
আইএমএফের সবুজ সংকেতের অপেক্ষায় নবম পে স্কেল
ছবি: সংগৃহীত
সরকারি গুদামে ১০ লাখ টনের বেশি খাদ্যশস্য মজুদ