ঢাকা-৪ আসন
শান্তি, ঐক্য ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার রবিনের

ঢাকা-৪ আসন এলাকায় শান্তি, ঐক্য ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার অঙ্গীকার করেছেন আসনটির বিএনপি মনোনীত প্রার্থী তানভীর আহমেদ রবিন। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাজধানীর শ্যামপুরে নিজ বাড়িতে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
রবিন বলেন, সবকিছুর আগে বাংলাদেশ। আমি কোন দল বুঝতে চাই না, আমি এলাকাবাসীকে বুঝতে চাই। এই এলাকায় কোনো সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী বা কিশোর গ্যাং থাকা যাবে না। প্রতিশোধপরায়ণ মনোভাবকে আমি গ্রহণ করি না, কাউকেও তা করতে দেব না।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের আদর্শকে অনুসরণ করেন।
রবিন বলেন, “আমার লক্ষ্য হলো শ্যামপুরে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা, এলাকার মানুষ যেন শান্তিপূর্ণ, একত্রিত পরিবেশে বসবাস করতে পারে এবং পরবর্তী প্রজন্মও সেই শান্তি ও ঐক্য পায়।”
নিজের শৈশব ও এলাকার সঙ্গে সম্পর্কের স্মৃতিও শেয়ার করে রবিন বলেন, ছোটবেলায় আমাদের এলাকায় সবাই একে অপরের পাশে থাকতো, খেলাধুলা ও সামাজিক অনুষ্ঠানমাধ্যমে আমরা ব্যস্ত থাকতাম। কিন্তু এখন মাদক, সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাংয়ের কারণে সেই পরিবেশ নষ্ট হয়েছে। আমি চাই সেই বন্ধন আবার ফিরুক।
তিনি আরও জানান, শ্যামপুরের অনেক সমস্যার সমাধান প্রয়োজন। এলাকার অনেক অংশে এখনো গ্যাস নেই, জলবদ্ধতা রয়েছে এবং মানুষের জন্য সরকারি হাসপাতালের অভাব রয়েছে। এছাড়া, স্থানীয় কমিউনিটি সেন্টার গড়ে তোলার জন্য তার পরিবার ২০০১ সাল থেকে কাজ শুরু করেছিল। এই কমিউনিটি সেন্টারটি মানুষকে একত্রিত করার, সামাজিক বন্ধন বাড়ানোর এবং পরবর্তী প্রজন্মের জন্য শিক্ষণীয় পরিবেশ তৈরি করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে।
রবিন নিজের অঙ্গীকার পুনরায় জোর দিয়ে বলেন, আমি এলাকাবাসীর সন্তান হিসেবে সবাইকে আপনজন মনে করি। যে কোনো সময় আমি এলাকাবাসীর পাশে থাকব। যারা অন্যায় করেছে, তাদের বিচার আল্লাহর হাতে, কিন্তু এলাকার শান্তি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা আমার অঙ্গীকার।
তিনি এলাকার মানুষকে পুনরায় ঐক্যবদ্ধ করার জন্য মুরুব্বিদের সাহায্য প্রয়োজনীয় উল্লেখ করে বলেন, আমাদের প্রজন্মকে শান্তি, বন্ধন ও সহযোগিতার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে। যারা এলাকার মানুষের বিভাজন ঘটিয়েছে, তাদের কীর্তি চিহ্নিত করতে হবে। তবে আমি প্রতিহিংসার রাজনীতি করব না এবং কাউকেও তা করতে দেব না।
রবিন আরও বলেন, আমি চাই আমার সন্তানরা এই এলাকায় বড় হোক, যেন তারা শ্যামপুরের ঐতিহ্য ও বন্ধন অনুভব করতে পারে। আমি নিজে রাতদিন পরিশ্রম করব, যাতে আমরা পূর্বের শান্তিপূর্ণ, ঐক্যবদ্ধ শ্যামপুর ফিরিয়ে আনতে পারি।
তিনি শ্যামপুরকে আবার শান্তি ও সৌহার্দ্যের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।
এ সময় স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।
ভিওডি বাংলা/ সবুজ/ আরিফ





