• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

মির্জা আব্বাস

মাদক-চাঁদাবাজি সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে মোকাবেলা করতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক    ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:১৫ পি.এম.
মতিঝিল সরকারি বালক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের প্রশ্নের জবাব দিচ্ছেন মির্জা আব্বাস। ছবি: ভিওডি বাংলা

ঢাকা-৮ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, মাদক আমাদের দেশের জন্য একটি ভয়াবহ ব্যাধি। এটা শুধু আইন দিয়ে নয়, সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে মোকাবিলা করতে হবে।

তিনি বলেন, মাদক ব্যবসায়ীদের সমাজ থেকে আলাদা করে ফেলতে হবে, যাতে আমাদের সন্তানদের হাতে এই বিষ ঢুকতে না পারে।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) কাকরাইল ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ইনিস্টিউট মিলনায়তনে মতিঝিল সরকারি বালক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের আয়োজনে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।

চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে মির্জা আব্বাস বলেন, ৫ আগস্টের পর আমি ব্যক্তিগতভাবে একটি স্পেশাল টিম গঠন করেছিলাম চাঁদাবাজ দমনের জন্য। দুই মাস এলাকায় শান্তি ছিল। কিন্তু সমস্যা হলো সব রাজনৈতিক দলেই কিছু লোক জড়িত এবং দুঃখজনকভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যেও কেউ কেউ জড়িত। এককভাবে দমন সম্ভব নয়, সামাজিকভাবেই প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, তোমরা চাইলে আমার সঙ্গে যুক্ত হয়ে সমাজ থেকে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি নির্মূলে কাজ করতে পারো। সোশ্যাল মিডিয়ায়ও সত্য তুলে ধরলে সেটি আমাদের জন্য বড় সহায়তা হবে।

তিনি বলেন, আধুনিক যুগে আইটি ও সাইবার ট্রেনিং ছাড়া সামনে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত করতে হলে এখন থেকেই তথ্যপ্রযুক্তির উৎকর্ষ সাধনে নজর দিতে হবে।

বিএনপি'র এই নেতা বলেন, আমাদেরকে অবশ্যই আইটি ও সাইবার ট্রেনিংয়ের দিকে মনোযোগ দিতে হবে। আমাদের সন্তানদের এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে যেন তারা বিশ্বের যেকোনো দেশের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারে, ইনশাআল্লাহ।

তিনি নিজের রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, আমি ২৭ বছর বয়সে বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠ কমিশনার ছিলাম। এরপর ধাপে ধাপে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী, মেয়র এবং একাধিকবার মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। এখন আমার চাওয়ার কিছু নেই, দেওয়ার আছে।

ঢাকার উন্নয়ন প্রসঙ্গে মির্জা আব্বাস বলেন, আমি যখন দায়িত্বে ছিলাম তখন ঢাকার বিভিন্ন স্থানে উন্নয়ন করেছি। মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল আমারই করা একটি উদ্যোগ। রমনা পার্কে হাঁটার জায়গা, বসার স্থান, ওয়াশরুম ও নতুন গাছ লাগানো এসব কাজ আমি করেছি। নিজের বাড়ির মতো করেই ঢাকা শহরকে সুন্দর রাখার চেষ্টা করেছি এবং আগামীতেও করব।

২০২৪ সালের আন্দোলনের পর তরুণদের ভূমিকার বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তরুণদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীরা যেটা চাইবে, যেটা প্রয়োজন হবে সেটাই আমরা করব। দলীয়ভাবে একটি ম্যানিফেস্টো দেওয়া হবে, সেখান থেকে ঢাকা-৮ এর প্রয়োজন অনুযায়ী সমস্যার সমাধান করা হবে।

মির্জা আব্বাস বলেন, ‘ঢাকা-৮ এর মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা নিয়ে আমি ইনশাআল্লাহ কাজ করে যেতে চাই। আমার অভিজ্ঞতা দিয়ে এই এলাকার সকল সমস্যা সমাধান করতে চাই।’

ভিওডি বাংলা/ সবুজ/ আরিফ

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
সকালবেলা উঠে আল্লাহর নাম নিয়েই চাঁদাবাজি শুরু করেন
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী: সকালবেলা উঠে আল্লাহর নাম নিয়েই চাঁদাবাজি শুরু করেন
বিএনপি ক্ষমতায় এলে প্রযুক্তি খাতে ৭ গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নেবে
এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান: বিএনপি ক্ষমতায় এলে প্রযুক্তি খাতে ৭ গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নেবে
গ্যাস সমস্যা ও মন্দির নির্মাণে দ্রুত উদ্যোগ নেব: ইশরাক
গ্যাস সমস্যা ও মন্দির নির্মাণে দ্রুত উদ্যোগ নেব: ইশরাক