শীর্ষ পদ নয়, নারীর ক্ষমতায়ন জরুরি: নূরনেসা সিদ্দিকা

জামায়াতে ইসলামীর নারী বিভাগের সেক্রেটারি অধ্যক্ষ নূরনেসা সিদ্দিকা বলেছেন, নারী নেতৃত্ব কোরআনের পরিপন্থী। তিনি বলেন, নারীরা জামায়াতের শীর্ষ পদে আসতে পারবেন না—এ কথা মেনেই তারা রাজনীতিতে এসেছেন। তার মতে, শীর্ষ পদে থাকা নয়, নারীর ক্ষমতায়নই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নির্বাচন কমিশন ভবনে জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় জামায়াতে ইসলামীর নারী বিভাগের পলিটিক্যাল অ্যাফেয়ার্স সম্পাদক ডা. হাবিবা চৌধুরী বলেন, সারাদেশে জামায়াতের নারী নেতাকর্মীদের ওপর হামলা হচ্ছে, যার প্রতিবাদ নির্বাচন কমিশনের কাছে জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য ও অভিযোগ ইসিতে জমা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, এই নির্বাচনে সবাই অংশ নিতে চায়।
ডা. হাবিবা চৌধুরী আরও বলেন, জামায়াতের নারী নেতাকর্মীদের প্রতিহত করার জন্য একটি গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। জামায়াত নারীদের শ্রদ্ধা ও সম্মান করে এবং সেটি সব স্তরের নারীদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চায়। কিছু মহল দলের এই কার্যক্রম পছন্দ করছে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। যেখানে বাধা আসবে, সেখানে প্রতিরোধ গড়ে তোলার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, নারীকে অবলা ভাবার কোনো কারণ নেই।
নারীর ক্ষমতায়নে জামায়াত কোনোভাবেই প্রতিবন্ধক নয় দাবি করে তিনি বলেন, সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবারের নির্বাচনে কোনো নারী প্রার্থী দেওয়া হবে না। তবে নারীরা সক্রিয়ভাবে নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন বলে জানান তিনি।
এদিকে, জামায়াতে ইসলামীর প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, নারী নেতাকর্মীরা পাড়া-মহল্লায় প্রচারে গেলে তাদের ওপর নির্যাতন চালানো হচ্ছে। এমনকি কোথাও কোথাও হিজাব ও নেকাব খুলে ফেলার ঘটনাও ঘটছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এসব ঘটনা সুষ্ঠু নির্বাচনের অন্তরায় উল্লেখ করে নারীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেন তিনি।
ভিওডি বাংলা/ এনআর/ আ







