• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
logo
শিরোনাম
হেপাটাইটিসমুক্ত দেশ গড়তে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বাধ্যতামূলক অবসরে ৩২ জেলা প্রশাসক আন্তর্জাতিক মানে গড়ে তোলা হবে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা: প্রতিমন্ত্রী টুকু সৌদির তেল স্থাপনায় হুথিদের ড্রোন হামলার দাবি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর সাথে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ উন্নয়ন-সুশাসনে সবাইকে পাশে চাইলেন সারিয়াকান্দির নবাগত ইউএনও দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিলেন মির্জা ফখরুল লুলাকে ‘চোর’ বললেন মিলেই, রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করল ব্রাজিল হাসপাতালের শৌচাগারে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ, সাময়িক বরখাস্ত হলেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে শেষ ধাপে সরকার

ছাত্রলীগের হাতে রক্তে রঞ্জিত হয়ে আমার ছেলে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেছে


প্রকাশ:  ১০ নভেম্বর ২০২৪, ০৫:১৮ পি.এম.
শেয়ার করুন 0
ছাত্রলীগের হাতে রক্তে রঞ্জিত হয়ে আমার ছেলে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেছে

‘আমার একটা মাত্র ছেলেকে হত্যা করেছে ছাত্রলীগের কুলাঙ্গাররা। ছাত্রলীগের হাতে রক্ত রঞ্জিত হয়ে আমার ছেলে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করছে।’ অশ্রুশিক্ত চোখে এভাবে ছেলে হত্যার বিচার চেয়েছেন ফাতেমা বেগম।

২০১৬ সালের ১ আগস্ট কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের আন্তঃকোন্দলে নিহত হন মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী ও কাজী নজরুল ইসলাম হলের শিক্ষার্থী খালেদ সাইফুল্লাহ।

রোববার (১০ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় কুবির প্রশাসনিক ভবনের নিচ তলায় খালেদ সাইফুল্লাহর হত্যার বিচার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন মা ফাতেমা বেগম ও বাবা মোহাম্মদ নুরুল আবেদিন।

সংবাদ সম্মেলনে ফাতেমা বেগম বলেন, আমার ছেলের খুনিরা বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি পায় আর আমি এখনো ছেলে হত্যার বিচার পেলাম না। সাবেক ভিসি আব্দুল মঈন, ইমরান কবির তাদের চাকরির ব্যবস্থা করেছে। আমি চাই হত্যায় জড়িত থাকা সকল আসামিদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ বাতিল করা হোক এবং এদের মধ্যে যারা চাকরি পেয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ে তাদের চাকরি বাতিল করা হোক।

নিহত খালেদ সাইফুল্লাহ কুমিল্লা বিশবিদ্যালয়ের কাজী নজরুল ইসলাম হলের ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার ছেলেকে ছাত্রলীগ করতে জোর করে আলিফ ও মাসুম। আমার ছেলে যদি আসলেই ছাত্রলীগ করত তাহলে আমরা আওয়ামী লীগের আমলে এই হত্যার বিচার পেলাম না কেন। উলটো ছাত্রলীগের নেতা ইলিয়াস হোসেন সবুজ, বিপ্লব চন্দ্র দাস, রেজা ই এলাহি, আলিফ, ফিরোজ, আবু বক্কর সিদ্দিক, সাইফ সোহেল, মাজহারুল ইসলাম হানিফ আমাকে বার বার চাপ প্রয়োগ করে আসছে চার্জশিট থেকে নাম তুলে নেওয়ার জন্য।

তিনি বলেন, আজ ৯ বছর হচ্ছে আমার ছেলে হত্যার। মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আমি বারবার নারাজি দিয়ে আসছি। কারণ মূল আসামিদের বাদ দেওয়া হচ্ছে প্রতিবেদনে। আমার দুই মেয়েকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরির লোভ দেখানো হয়েছে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য। আমরা ছেলের রক্তের সঙ্গে বেঈমানি করতে পারব না। আমি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্যের কাছে ছেলে হত্যার বিচারের দাবি জনাচ্ছি।


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ছবি: সংগৃহীত
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে সিইসির বৈঠক শুরু
ছবি: সংগৃহীত
আইএমএফের সবুজ সংকেতের অপেক্ষায় নবম পে স্কেল
ছবি: সংগৃহীত
সরকারি গুদামে ১০ লাখ টনের বেশি খাদ্যশস্য মজুদ