• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
logo
শিরোনাম
যুবদল কর্মী নিহতের ঘটনায় আদালতে চার আসামির দায় স্বীকার হেপাটাইটিসমুক্ত দেশ গড়তে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বাধ্যতামূলক অবসরে ৩২ জেলা প্রশাসক আন্তর্জাতিক মানে গড়ে তোলা হবে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা: প্রতিমন্ত্রী টুকু সৌদির তেল স্থাপনায় হুথিদের ড্রোন হামলার দাবি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর সাথে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ উন্নয়ন-সুশাসনে সবাইকে পাশে চাইলেন সারিয়াকান্দির নবাগত ইউএনও দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিলেন মির্জা ফখরুল লুলাকে ‘চোর’ বললেন মিলেই, রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করল ব্রাজিল হাসপাতালের শৌচাগারে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ, সাময়িক বরখাস্ত হলেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা

সুরাজনীতি এমন এক নদী যা শান্তির সাগরে মিশবেই


প্রকাশ:  ১৪ জুন ২০২৫, ০১:৫২ পি.এম.
শেয়ার করুন 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ

শেখ হাসিনা তারেক রহমানকে প্রকাশ্যে চোর বলতেন। ছেলের বয়সী প্রতিপক্ষকে ৭৫টা মামলার আসামী বানিয়েছেন। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় তারেক রহমানের নাম জড়িয়ে সিনেমাও বানিয়ে রেখেছিলেন। ২০২৪ এর নির্বাচনে বিএনপি অংশ নিলে নির্বাচনের আগে মুক্তি দিতেন। বিএনপি নির্বাচনে না আসায় ‘আগস্ট ফাইলস’ নামের সেই ছবি মুক্তি পায়নি।

বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে বলা যায় না এমন সব বাজে কথা বলেছেন। আর ডক্টর ইউনুসকে সুদখোর ছাড়া কথাই বলতেন না। দুবার পদ্মায় চুবানোর অভিপ্রায় তো দেশের সবাই জানেন। কোর্টে হাজিরা দিতে লিফট বন্ধ রেখে ১১ তলায় হাঁটিয়ে উঠিয়েছেন অসুস্থ বৃদ্ধ মানুষটাকে।

গতকাল ডক্টর ইউনুস আর তারেক রহমান যখন দু’জন দু’জনকে হাসিমুখে অবিভাদন জানালেন, বললেন- আম্মা আপনাকে সালাম জানিয়েছেন, তখন কেমন বোধ করছেন শেখ হাসিনা?

শিল্প-সাহিত্যের মুখোশ পরে ফ্যাসিবাদের পাওয়ার হাউজ হিসেবে কাজ করা নামানুষগুলোর আহাজারি দেখলে বোঝা যায় এই মিটিং বাংলার রাজনীতিতে কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তারেক রহমান ডক্টর ইউনুসের হাসিমুখ তাদের পিত্তিকে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে।

মিটিংয়ে তারেক রহমান বেগম জিয়ার রেফারেন্স দিয়ে রমজানের আগে নির্বাচন চেয়েছেন। সংস্কার ও বিচারকে প্রাধান্য দিয়ে রমজানের আগে নির্বাচন দেওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন ডক্টর ইউনুস।

এখন বিএনপির উল্টাপাল্টা বকা নেতারা চাইলেই সংস্কারে বাঁহাত দিতে পারবে না। বিচার নিয়ে তালবাহানা করতে পারবে না। যদি করে, সেটা হবে বেগম জিয়ার সঙ্গে বেয়াদবি। খুব স্বাভাবিকভাবে বিএনপি নেতাকর্মীরা নির্বাচনী প্রস্তুতিতে ব্যস্ত থাকবে। সংস্কার ও বিচার ইস্যুতে সরকারকে ডিস্টার্ব করার সময় তাদের থাকবে না।

সরকারকেও সংস্কার, বিচার ও নির্বাচনের প্রস্তুতি এক সঙ্গে চালিয়ে যেতে হবে। এতে দেশের রাজনীতি গতিশীল হবে। রাষ্ট্রীয় মতানৈক্য কমবে বলে আশা করা যায়। মনোনয়ন নিয়ে নিজেরা নিজেরা ক্যাচাল না করলে দেশে সুরাজনীতির চর্চা শুরু হবে।

সুরাজনীতি এমন এক নদী যা শান্তির সাগরে মিশবেই। যাদের নামে কূৎসা রটানো হলো এতকাল তারা আজ একত্রিত। অন্যদিকে কুরাজনীতি এমন এক পথ যার শেষ প্রান্তে আগুন। যে আগুনে নিক্ষিপ্ত হয়েছে শেখ হাসিনা।

সুরাজনীতিতে আসুন। কুসংস্কার ছাড়ুন। সংস্কারে সহযোগিতা করুন। যত দ্রুত এসব ঘটবে তত দ্রুত দেশে গণতন্ত্র ফিরবে। ফ্যাস্টিস্ট বাদে সবাই উপকৃত হবে।

লেখক : যুগ্ম আহ্বায়ক, জাতীয় যুবশক্তি, কেন্দ্রীয় কমিটি।

ভিওডি বাংলা/ডিআর


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
মোঃ আজহার আলী তালুকদার
জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাকখাতকে কেবল রাজস্বের চোখে দেখার সুযোগ নেই
ছবি: সংগৃহীত
জিয়াউর রহমানের অভূতপূর্ব নেতৃত্ব: একটি ঐতিহাসিক মূল্যায়ন
ছবি: সংগৃহীত
ইতিহাস ও বর্তমানের সন্ধিক্ষণে শহীদ জিয়া: আদর্শের প্রাসঙ্গিকতা