• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
logo
শিরোনাম
উত্তরায় পুলিশের অভিযানে ১১টি আইফোন ও স্বর্ণালংকারসহ গ্রেপ্তার ৬ প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে আন্দোলন: মামলা প্রত্যাহারের পথে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু গ্যাস সংকট: মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বললেন তারেক রহমান এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদন কবে শুরু মিরপুরে ১২ ভরি স্বর্ণালংকার চুরি, গৃহকর্মীসহ গ্রেপ্তার ২ ছাত্রদলের গেঞ্জি পরে সারজিস-পাটওয়ারীর গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ স্বাস্থ্যসেবায় ইম্পেরিয়াল-কেডিআরএফের যৌথ উদ্যোগ ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৫১২ ঢাবির ২৩১ শিক্ষকের বিচার চেয়ে উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি রাজধানীতে কলেজের দেয়াল ধসে নিহত ২ আহত ৮

স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ এক হলে যে সমস্যা হয়

  লাইফস্টাইল
প্রকাশ:  ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০২:৩৮ পি.এম.
শেয়ার করুন 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

“আমাদের রক্তের গ্রুপ যদি এক হয়, তাহলে কি ভবিষ্যতে সন্তানের কোনো সমস্যা হতে পারে?”  এমন অনেক দম্পতির মনেই একটি সাধারণ প্রশ্ন জাগে। বিশেষ করে আশেপাশের কেউ বললে যে রক্তের গ্রুপ এক হলে সমস্যা হয়, দুশ্চিন্তা আরও বাড়ে।  

চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে, রক্তের গ্রুপ এক হওয়ায় সাধারণভাবে কোনো সমস্যা হয় না। তবে কিছু ক্ষেত্রে, বিশেষ করে Rh ফ্যাক্টর সম্পর্কিত বিষয়গুলো মাথায় রাখা জরুরি।

বিভিন্ন অ্যান্টিজেনের ওপর ভিত্তি করে মানুষের রক্তের গ্রুপ নির্ধারিত হয়। সাধারণত আমরা যেটা জানি তা হলো, A, B, AB এবং O। এগুলো ABO গ্রুপিং পদ্ধতির অংশ। এছাড়া আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো Rh ফ্যাক্টর, যার ভিত্তিতে রক্ত হয় পজিটিভ (+) বা নেগেটিভ (–)। এটি বিশেষভাবে সন্তানের গর্ভধারণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
 
উভয়ের রক্ত পজিটিভ (+): সন্তানও সাধারণত পজিটিভ হবে। কোনো সমস্যা নেই।

উভয়ের রক্ত নেগেটিভ (–): সন্তানও নেগেটিভ হবে। কোনো ঝুঁকি নেই।

স্বামী নেগেটিভ, স্ত্রী পজিটিভ: কোনো ঝুঁকি নেই। সন্তান পজিটিভ বা নেগেটিভ দুটোই হতে পারে।

স্বামী পজিটিভ, স্ত্রী নেগেটিভ: সতর্কতা প্রয়োজন। যদি সন্তানের রক্ত পজিটিভ হয়, তাহলে মায়ের শরীরে Rh অ্যান্টিবডি তৈরি হতে পারে। এটি ভবিষ্যতের গর্ভধারণে সমস্যার কারণ হতে পারে।

মায়ের শরীর শিশুর রক্তকে ‘বিরোধী’ হিসেবে চিনতে পারে। এতে শিশুর রক্তকণিকা নষ্ট হতে পারে এবং দেখা দিতে পারে:

. জন্ডিস

. রক্তশূন্যতা

. Hydrops Fetalis (শিশুর শরীরে পানি জমে যাওয়া)

যদি চিকিৎসা না করা হয়, তখন শিশুর গর্ভেই মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে। তবে এটি সাধারণত প্রথম সন্তানের ক্ষেত্রে ঘটে না; সমস্যা দেখা দেয় পরবর্তী গর্ভধারণে।

প্রতিরোধ ও করণীয়

বিশেষজ্ঞ, বলেন, গর্ভধারণের আগে স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ জানুন। স্ত্রীর রক্ত Rh নেগেটিভ এবং স্বামীর পজিটিভ হলে: Rh অ্যান্টিবডি টেস্ট করতে হবে।

যদি অ্যান্টিবডি না থাকে:

. গর্ভাবস্থার ২৮ সপ্তাহে একটি টিকা।

. সন্তান জন্মের পর ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আরেকটি টিকা।

. যদি অ্যান্টিবডি তৈরি হয়ে থাকে, চিকিৎসকের ঘন নজরদারি প্রয়োজন।

রক্তের গ্রুপ এক হওয়াটা সাধারণত স্বামী-স্ত্রীর কোনো সমস্যা সৃষ্টি করে না। Rh পজিটিভ/নেগেটিভ মিল থাকলে কিছু বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করলে সন্তানের স্বাভাবিক ও সুস্থ জন্ম নিশ্চিত করা সম্ভব।

ভিওডি বাংলা/জা


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ছবি: এআই দিয়ে তৈরি
ফাইবার-ম্যাক্সিং নাকি ডায়েট?
ছবি: সংগৃহীত
অজান্তেই মানসিক চাপ বাড়াচ্ছে এই ৫ অভ্যাস
কেন কিছু মানুষকে মশা বেশি কামড়ায়?
কেন কিছু মানুষকে মশা বেশি কামড়ায়?