বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে বদলি আবেদন নিতে পুরোপুরি প্রস্তুত মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। এরই মধ্যে ৯৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তথ্য ইনপুটের কাজ শেষ করেছে। বাকি অল্পসংখ্যক প্রতিষ্ঠানকে বাদ রেখেই বদলি আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) মাউশির একটি সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। মাউশির কর্মকর্তারা জানান, দেশের ৯৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তথ্য ইনপুটের কার্যক্রম শেষ করেছে। তথ্য নেওয়ার মেয়াদকালও শেষ হয়েছে। অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান তথ্য দেয়নি, তাদের বাদ রেখেই বদলি আবেদন গ্রহণ করা হতে পারে।
মাউশি সূত্র জানায়, বদলির আবেদন শুরুর আগে শিক্ষকদের একটি পাসওয়ার্ড দেওয়া হবে। টেলিটক বাংলাদেশের মাধ্যমে শিক্ষকদের কাছে এ পাসওয়ার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে।
আবেদন গ্রহণের পূর্বে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমতি চেয়ে চিঠি পাঠাবে মাউশি। তবে তারও আগে শিক্ষকদের আবেদনের জন্য একটি পাসওয়ার্ড দেওয়া হবে।
মাউশির সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড শিক্ষকদের পাসওয়ার্ড দেবে। তবে এ কাজটি তারা এখনো করতে পারেনি। এজন্য মূলত সকল কার্যক্রম ঝুলে রয়েছে। শিক্ষকরা পাসওয়ার্ড পেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন চেয়ে চিঠি পাঠানো হবে।
মাউশির এক কর্মকর্তা জানান, শিক্ষকরা নতুন করে পাসওয়ার্ড পাবেন। এর আগে যে লিংক দেওয়া হয়েছিল ওই লিংকের মাধ্যমে পাসওয়ার্ড দিয়ে লগ-ইন করে আবেদন করতে হবে। টেলিটক দ্রুত আইডি ও পাসওয়ার্ড পাঠানো শুরু করবে।
জানা গেছে, শিক্ষকদের বদলির জন্য স্কুল পর্যায়ে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের তথ্য ইনপুট, ভেরিফিকেশন ও চূড়ান্ত অনুমোদনের সময় শেষ হয় গত ২৫ জুন। উপজেলা বা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের জন্য সময়সীমা ছিল ৫ জুলাই। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের জন্য ১৫ জুলাই নির্ধারণ করা হয়েছিল।
কলেজ পর্যায়ে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের তথ্য ইনপুট, ভেরিফিকেশন ও চূড়ান্ত অনুমোদনের শেষ সময়ও ২৫ জুন শেষ হয়। আঞ্চলিক উপ-পরিচালকের (কলেজ) জন্য ৫ জুলাই এবং আঞ্চলিক পরিচালকদের জন্য ১৫ জুলাই পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল।
নির্ধারিত সময় শেষ হলেও বদলি আবেদন শুরুর জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমতি চেয়ে চিঠি পাঠানো সম্ভব হয়নি। এ অবস্থায় বিপাকে পড়েছেন বদলির অপেক্ষায় থাকা কয়েক লাখ শিক্ষক।
ভিওডি বাংলা/আর









মন্তব্য