• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
logo

আ.লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা চলছে : উপদেষ্টা আসিফ

  নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ:  ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০২:৪১ পি.এম.
শেয়ার করুন 0
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। ছবি: সংগৃহীত
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। ছবি: সংগৃহীত

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়বিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, যারা ডিসেম্বরে নির্বাচন চেয়েছিল তাদের অনেকে নির্বাচন পেছানোর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হচ্ছে। তারা আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনের চেষ্টা করছে।

শনিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে পল্লী দারিদ্র্যবিমোচন ফাউন্ডেশনে (পিডিবিএফ) নবনিযুক্ত কর্মকর্তা কর্মচারীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

আসিফ মাহমুদ বলেন, যারা নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে, নির্বাচন হলে তাদের স্বার্থে আঘাত লাগবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্র্যাকটিস হচ্ছে যখন যে সরকার ক্ষমতায় থাকে তারা তাদের নিকট মানুষকে নিয়োগ দিয়ে থাকে। আমরা চেষ্টা করছি কোনো নির্দিষ্ট দলের নিয়োগ না বরং স্বচ্ছতার ভিত্তিতে চাকরিতে নিয়োগ দিতে।

আসিফ বলেন, মেধাবীরা দেশের সম্পদ। কোনো স্বজনপ্রিয়তার অভিযোগ আমার কাছে আসেনি। কোনো মামা-চাচা বা ঘুষ ছাড়া যারা নিয়োগ পেয়েছেন তাদের সময় এসেছে দেশকে কিছু প্রতিদান দেওয়ার।

উপদেষ্টা বলেন, জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে হামলার এ বিষয়টি অত্যন্ত নিন্দাজনক। এ ধরনের হামলা যাতে না হয় সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

তিনি বলেন, মব আর রাজনৈতিক কর্মসূচি দুইটার মধ্যে পার্থক্য বুঝতে হবে। লাশ পোড়ানোর মত ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয়। এতে কাদের দায় আছে, কাদের অবহেলার কারণে এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে সেটি আমি দেখবো।

ভিওডি বাংলা/ এমএইচ


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বাংলাদেশ সচিবালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টা উনো ইয়োশিমাসা। ছবি: ভিওডি বাংলা
তারেক রহমানের সঙ্গে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টার বৈঠক
বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন আইওএম বাংলাদেশের নবনিযুক্ত চিফ অব মিশন ড. লরা টম-বন্ড। ছবি-ভিওডি বাংলা
আইওএম নবনিযুক্ত চিফের সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক
ছবি: সংগৃহীত
নবম পে-স্কেল দুই বছর পিছিয়ে দেয়ার পরামর্শ আইএমএফের