• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
logo

সরকারি ক্রয়ে আসছে বড় পরিবর্তন, বিদায় নিচ্ছে ‘পিপিআর-২০০৮’

  নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ:  ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১০:১১ পি.এম.
শেয়ার করুন 0
সংগৃহীত ছবি
সংগৃহীত ছবি

সরকারি ক্রয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে বিদ্যমান পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা (পিপিআর-২০০৮)-এর পরিবর্তে আসছে নতুন ‘পিপিআর-২০২৫’। খসড়া বিধিমালায় ৯৪টি সংশোধন, ১২টি নতুন বিধি সংযোজন, ৭টি বিধি বাতিল এবং ১৮টি উপবিধি বাদ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি যুক্ত হয়েছে ৪টি নতুন তপশিল এবং সংশোধিত হয়েছে আরও ৮টি। সব মিলিয়ে নতুন কাঠামো দাঁড়িয়েছে মোট ১৫৩টি বিধি নিয়ে।

বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের আইএমইডি সম্মেলন কক্ষে খসড়া বিধিমালা নিয়ে কর্মশালার আয়োজন করে বিপিপিএ (বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি)। প্রধান অতিথি ছিলেন আইএমইডি সচিব মো. কামাল উদ্দিন এবং সভাপতিত্ব করেন বিপিপিএর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মঈন উদ্দীন আহম্মেদ। খসড়ার মূল বিষয়গুলো উপস্থাপন করেন পরিচালক শাহ ইয়ামিন-উল ইসলাম।

কর্মশালায় জানানো হয়, প্রস্তাবিত বিধিমালায় সরকারি সব ক্রয়ে ই-জিপি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। অনলাইনের বাইরে দরপত্র আহ্বান বা চুক্তি কেবল বিশেষ অনুমতিতে করা যাবে। এছাড়া দরপত্রের প্রাক্কলিত মূল্যের সঙ্গে পার্থক্যের ১০ শতাংশ সীমা বাতিল, অতিরিক্ত কাজের জন্য নতুন ধারা, ভেরিয়েশনের সীমা ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোসহ বেশ কিছু সংস্কার আনা হয়েছে।

নতুন বিধিমালায় আরও রয়েছে—

  • ভৌত সেবা ও শ্রমঘন সেবা আলাদা ক্যাটেগরি।
  • প্রতিযোগিতা বাড়াতে বিপরীত নিলাম প্রক্রিয়া।
  • নারী-মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান, ক্ষুদ্র ও নতুন উদ্যোক্তাদের বিশেষ সুবিধা।
  • অংশগ্রহণকারীর প্রকৃত মালিকানা প্রকাশ বাধ্যতামূলক।
  • সরকারি সম্পদ বিক্রি ও নিষ্পত্তির নতুন নিয়ম।
  • চুক্তি বাতিলে স্বতন্ত্র কমিটির সুপারিশ বাধ্যতামূলক।
  • দরকষাকষির সুযোগ বাড়ানো।
  • কালো তালিকাভুক্তি ও স্থগিতাদেশে কঠোরতা; বিশেষজ্ঞদের নিয়ে ডিবারমেন্ট রিভিউ বোর্ড গঠন।

বিপিপিএ জানায়, খসড়া বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে সরকারি ক্রয় আইন, ২০০৬-এর সংশোধনের ধারাবাহিকতায়। চলতি বছরের ৪ মে গেজেটে প্রকাশিত সরকারি ক্রয় (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ অনুসারে এ বিধিমালা প্রস্তুত করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত ‘পিপিআর-২০২৫’-এর লক্ষ্য হলো সরকারি ক্রয়ে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন নিশ্চিত করা, পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব ও সামাজিকভাবে দায়বদ্ধ ক্রয়ের ধারা প্রতিষ্ঠা করা। সরকারের আশা, এ উদ্যোগ সরকারি অর্থব্যবস্থায় দক্ষতা বাড়াবে।

ভিওডি বাংলা/ আরিফ


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন আইওএম বাংলাদেশের নবনিযুক্ত চিফ অব মিশন ড. লরা টম-বন্ড। ছবি-ভিওডি বাংলা
আইওএম নবনিযুক্ত চিফের সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক
ছবি: সংগৃহীত
নবম পে-স্কেল দুই বছর পিছিয়ে দেয়ার পরামর্শ আইএমএফের
ছবি: সংগৃহীত
বঙ্গভবনে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু