অভিনেতা আব্দুল্লাহ আল সেন্টুর বাসায় ভাঙচুর ও চুরি

দেশের তরুণ অভিনেতা আব্দুল্লাহ আল সেন্টুর বাসায় ভাঙচুর ও চুরির ঘটনা ঘটেছে। শুটিংয়ের কাজে ঢাকার বাইরে থাকার সুযোগে রাজধানীর রামপুরায় তার বাসা থেকে একাধিক মূল্যবান সামগ্রী চুরি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) রামপুরা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন অভিনেতা নিজেই।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, লিটন ও এনায়েত নামের দুজনের যোগসাজশে অজ্ঞাতপরিচয় একটি দল বাসায় ভাঙচুর চালিয়ে মালামাল নিয়ে যায়।
সেন্টু জানান, গত ২৫ জানুয়ারি বিকেলে শুটিংয়ের কাজে মানিকগঞ্জে যান তিনি। কয়েক দিন পর ৩০ জানুয়ারি রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে ঢাকায় ফিরে দারোয়ানের সহায়তায় বাসার তালা খুলে ভেতরে ঢুকে তিনি দেখতে পান— ঘরের বিভিন্ন জিনিসপত্র এলোমেলো অবস্থায় পড়ে রয়েছে এবং বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সামগ্রী নেই।
চুরি হওয়া জিনিসের মধ্যে রয়েছে একটি ২ টেরাবাইট হার্ডড্রাইভ, যেখানে প্রায় ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সিনেমার চূড়ান্ত ফুটেজ সংরক্ষিত ছিল। এছাড়া একটি ভিভো মোবাইল ফোন, সিলিং ফ্যান, গ্যাস কার্ড, চ্যানেল আই ডিজিটাল মিডিয়া অ্যাওয়ার্ডের ‘বেস্ট রাইজিং স্টার’ সম্মাননা স্মারক, কাপড়চোপড়, জুতা ও ইস্তিরি খোয়া গেছে।
এ বিষয়ে অভিনেতা বলেন, ‘শুটিংয়ের জন্য ঢাকার বাইরে ছিলাম। ফিরে এসে দেখি বাসায় ভাঙচুর করা হয়েছে। থানায় ডাকাতির মামলা করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু পুলিশ মামলা না নিয়ে লিখিত অভিযোগ হিসেবে গ্রহণ করেছে।’
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ঘটনার প্রায় পাঁচ দিন পরও তাকে বাসায় ভাঙচুরের বিষয়টি কেউ জানাননি। এমনকি পুরো ঘটনায় বাসার মালিকের ভূমিকাও সন্দেহজনক বলে দাবি করেন তিনি।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, দারোয়ানের কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন— ২৫ জানুয়ারি সন্ধ্যার দিকে ১৫ থেকে ২০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি বাসার তালা ভেঙে মালামাল নিয়ে যায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে বাসার ভেতরের অবস্থা ভিডিও করে এবং নতুন তালা লাগিয়ে যায়।
এ ঘটনায় বাসার মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ভাড়া দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন এবং অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন বলেও অভিযোগে বলা হয়েছে।
এদিকে রামপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম জানান, অভিনেতার লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভিওডি বাংলা/ আ







