ঝালকাঠির রাজাপুরে রাতের আঁধারে পৃথক দু'টি অভিযানে দুই মাদকসেবীকে আটক করে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৩১ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, এক পুরিয়া গাঁজা এবং মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
সোমবার (২৭ জুলাই) রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় উপজেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাত আরা মৌরি। এ সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শামিম রেজা সজীব, রাজাপুর থানা পুলিশের সদস্য ও আনসার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, রাতে উপজেলার বড় কৈবর্তখালী মুজিবকেল্লা সংলগ্ন এলাকায় নিজ বাড়িতে মাদক সেবনকালে মো. জসিম কাজীকে (৪৫) আটক করা হয়। তিনি ওই এলাকার মো. অলি আহমেদের ছেলে। এ সময় তার কাছ থেকে এক পুরিয়া গাঁজা ও মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। পরে রাতে আবার নাপিতবাড়ি খানকা সংলগ্ন এলাকায় মোস্তফা হাওলাদারের নির্মাণাধীন ভবনের ভেতরে বসা একটি মাদক সেবনের আসরে অভিযান চালিয়ে মো. তারেক গাজীকে (২৯) আটক করা হয়। তিনি ইন্দোপাশা চকিদারবাড়ি এলাকার মো. রতন গাজীর ছেলে। তার কাছ থেকে ৩১ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে বিচার শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আরা মৌরি জসিম কাজীকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৪০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। একই আইনে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শামিম রেজা সজীব তারেক গাজীকে এক বছর সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আরা মৌরি বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। তরুণ সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।”
ভিওডি বাংলা/মো. মাহিন খান/জা









মন্তব্য