• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
logo
শিরোনাম
উত্তরায় পুলিশের অভিযানে ১১টি আইফোন ও স্বর্ণালংকারসহ গ্রেপ্তার ৬ প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে আন্দোলন: মামলা প্রত্যাহারের পথে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু গ্যাস সংকট: মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বললেন তারেক রহমান এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদন কবে শুরু মিরপুরে ১২ ভরি স্বর্ণালংকার চুরি, গৃহকর্মীসহ গ্রেপ্তার ২ ছাত্রদলের গেঞ্জি পরে সারজিস-পাটওয়ারীর গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ স্বাস্থ্যসেবায় ইম্পেরিয়াল-কেডিআরএফের যৌথ উদ্যোগ ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৫১২ ঢাবির ২৩১ শিক্ষকের বিচার চেয়ে উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি রাজধানীতে কলেজের দেয়াল ধসে নিহত ২ আহত ৮

১১ মাসে রাজস্ব আদায় ৩ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা: এনবিআর


প্রকাশ:  ১৮ জুন ২০২৫, ০৪:২০ পি.এম.
শেয়ার করুন 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
অর্থবছরের ১১ মাসে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) রাজস্ব খাতে ৩ লাখ ২৭ হাজার ৭৮২ কোটি টাকা আদায় করেছে। বুধবার (১৮ জুন) এনবিআরের পক্ষ থেকে এই তথ্য জানানো হয়। সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট), আয়কর ও শুল্কসহ রাজস্ব আয়ের প্রধান তিন উৎস থেকেই এ অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে।

এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে (জুলাই-মে) মোট ৩ লাখ ২৭ হাজার ৭৮২ কোটি টাকা আদায় করেছে। এটি সাময়িক হিসাব। ভ্যাটের রিটার্ন দাখিলের হিসাবের এই সংখ্যা আরও বাড়বে। লক্ষ্য অর্জনে শুধু জুন মাসেই সব মিলিয়ে ১ লাখ ৪২ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায় করতে হবে এনবিআরকে।

এনবিআরকে চলতি অর্থবছরের জন্য ৪ লাখ ৬৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকার সংশোধিত রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য দেয়া হয়েছে। মূল লক্ষ্য ছিল ৪ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা।

এনবিআর আরও জানিয়েছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এবং এর অধীন সব কাস্টমস, ভ্যাট ও আয়কর কার্যালয় খোলা থাকবে ২১ জুন ও ২৮ জুন। শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়া সত্ত্বেও ওই দুই দিন খোলা রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। মূলত রাজস্ব আদায়ের স্বার্থে এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট কার্যক্রম চলমান রাখার জন্য এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে এনবিআর।

ভিওডি বাংলা/ এমএইচ


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ছবি: সংগৃহীত
সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে আলাদা অনুসন্ধান করবে না বাংলাদেশ ব্যাংক
ছবি: সংগৃহীত
গ্যাস সংকট আরও কয়েকদিন, ভোগান্তিতে সব শ্রেণির গ্রাহক
ছবি: ভিওডি বাংলা
এসডিজি অর্জনে ৫ বছরে আরও ৪২১ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন