• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
logo
শিরোনাম
উত্তরায় পুলিশের অভিযানে ১১টি আইফোন ও স্বর্ণালংকারসহ গ্রেপ্তার ৬ প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে আন্দোলন: মামলা প্রত্যাহারের পথে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু গ্যাস সংকট: মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বললেন তারেক রহমান এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদন কবে শুরু মিরপুরে ১২ ভরি স্বর্ণালংকার চুরি, গৃহকর্মীসহ গ্রেপ্তার ২ ছাত্রদলের গেঞ্জি পরে সারজিস-পাটওয়ারীর গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ স্বাস্থ্যসেবায় ইম্পেরিয়াল-কেডিআরএফের যৌথ উদ্যোগ ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৫১২ ঢাবির ২৩১ শিক্ষকের বিচার চেয়ে উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি রাজধানীতে কলেজের দেয়াল ধসে নিহত ২ আহত ৮

বিএনপির সিদ্ধান্ত একক প্রার্থী নির্ধারণ


প্রকাশ:  ২১ জুন ২০২৫, ০১:৪৫ পি.এম.
শেয়ার করুন 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

মোক্তাদির হোসেন প্রান্তিক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আসনভিত্তিক জরিপ চালাচ্ছে বিএনপি। এ বিষয়ে দলের বিশ্বস্ত তিনজন সরেজমিনে কাজ করছেন। তারা খোঁজ-খবর নিচ্ছেন, দলের সম্ভাব্য প্রার্থীদের কার কী অবস্থা। জরিপে বেশিমাত্রায় গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে অপেক্ষাকৃত তরুণ, মেধাবী ও ইমেজসম্পন্ন নেতাদের। ২০০১ সাল থেকে ২০১৮ পর্যন্ত যারা দলীয় মনোনয়নে এমপি হয়েছেন বা মনোনয়ন পেয়েছিলেন তাদের বিষয়েও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। তবে ২০১৮ সালের মতো এবার এক আসনে একাধিক জনকে দলীয় মনোনয়নের চিঠি দেওয়া হবে না।

জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমদ ভিওডি বাংলাকে বলেন, এবার দলের সিদ্ধান্ত একক প্রার্থী নির্ধারণ করার। ২০১৮ সালের মতো একাধিক প্রার্থী হবে না?।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর বিভিন্ন আসনে বিএনপির একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী মাঠে নামেন। কোথাও কোথাও নেতৃত্ব নিয়ে সংঘাতও হয়। এ সব সংঘাত এড়িয়ে চলতে দলের শীর্ষ পর্যায় থেকে কয়েকটি নির্বাচনী এলাকায় কিছু নেতাকে সবুজ সঙ্কেত দেওয়া হয়েছে। যদিও সেসব এলাকায়ও একাধিক প্রার্থী মাঠে কাজ করছেন।

জানা গেছে, বিএনপির প্রার্থী বাছাইয়ে ২০০১, ২০০৮ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদেরও বিবেচনায় রাখা হবে।

বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনকেন্দ্রিক সব কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে নির্বাচন কমিশনের তফসিল ঘোষণার পর। সম্ভাব্য প্রার্থীদের সাক্ষাৎকারের পর একক প্রার্থী চূড়ান্ত করে বিএনপির পার্লামেন্টারি বোর্ড। দলটির গঠনতন্ত্রের ১৪ অনুচ্ছেদে বলা আছে ‘জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য কিংবা অন্য যে কোনো নির্বাচনের জন্য দলের প্রার্থী মনোনয়নে দলের একটি পর্লামেন্টারি বোর্ড থাকবে। জাতীয় স্থায়ী কমিটিই হবে দলের পার্লামেন্টারি বোর্ড।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কিংবা যে কোনো নির্বাচনে দলের প্রার্থী মনোনয়নের দায়িত্ব পার্লামেন্টারি বোর্ড পালন করবে এবং এ ব্যাপারে বোর্ডের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।’

জানা গেছে, মিত্র দলগুলোর বেশ কয়েকজন নেতাকে ইতোমধ্যে নির্বাচনী এলাকায় কাজ করার ইঙ্গিতও দিয়েছে বিএনপি হাইকমান্ড। আবার ঢাকার দুই-তিনটি আসনও মিত্রদের ছাড়তে হতে পারে বলে বিএনপির একাধিক সিনিয়র নেতা ইঙ্গিত দিয়েছেন। তবে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সব কিছু চূড়ান্ত হবে বলে জানিয়েছে বিএনপি সূত্র।

এদিকে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে দল পুনর্গঠনের কাজ শেষ করতে চায় বিএনপি। ইতোমধ্যে দল পুনর্গঠনের সঙ্গে যুক্ত নেতাদের এমন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। 

ভিওডি বাংলা/ এমএইচ


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ছবি: ভিওডি বাংলা
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ায় সংযত বিএনপি
ছবি: সংগৃহিত
ভারতের তরুণদের আন্দোলন কোথায় গিয়ে থামবে?
ছবি: সংগৃহিত
রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে দায়িত্ব কার, কী বলছে সংবিধান