• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
logo
শিরোনাম
উত্তরায় পুলিশের অভিযানে ১১টি আইফোন ও স্বর্ণালংকারসহ গ্রেপ্তার ৬ প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে আন্দোলন: মামলা প্রত্যাহারের পথে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু গ্যাস সংকট: মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বললেন তারেক রহমান এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদন কবে শুরু মিরপুরে ১২ ভরি স্বর্ণালংকার চুরি, গৃহকর্মীসহ গ্রেপ্তার ২ ছাত্রদলের গেঞ্জি পরে সারজিস-পাটওয়ারীর গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ স্বাস্থ্যসেবায় ইম্পেরিয়াল-কেডিআরএফের যৌথ উদ্যোগ ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৫১২ ঢাবির ২৩১ শিক্ষকের বিচার চেয়ে উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি রাজধানীতে কলেজের দেয়াল ধসে নিহত ২ আহত ৮

সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগে আগ্রহ কমছে, বাড়ছে বিল-বন্ডে ঝোঁক

  নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ:  ৭ আগস্ট ২০২৫, ১১:০২ এ.এম.
শেয়ার করুন 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

দেশে মূল্যস্ফীতি বাড়ায় মানুষের সঞ্চয় সক্ষমতা কমে গেছে। পাশাপাশি সঞ্চয়পত্রের সুদহার নিয়ে বিভ্রান্তি, জটিল নিয়মকানুন এবং ব্যাংক ও সরকারি বিল-বন্ডে তুলনামূলক উচ্চ সুদের হার-এসব কারণে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগে আগ্রহ ক্রমশ কমছে। এর বিপরীতে ট্রেজারি বিল ও বন্ডে ঝুঁকছে মানুষ।

জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, টানা তিন অর্থবছর ধরে সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি হ্রাস পাচ্ছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে নিট বিক্রি কমেছে ৬ হাজার ৬৩ কোটি টাকা, ফলে মোট বিনিয়োগ দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৩৮ হাজার ৪৯৯ কোটি টাকায়। আগের দুই অর্থবছরে নিট বিক্রি কমেছিল যথাক্রমে ২১ হাজার ১২৪ কোটি ও ৩ হাজার ২৯৬ কোটি টাকা।

একসময় বাজেট ঘাটতি পূরণে সঞ্চয়পত্র ছিল সরকারের নির্ভরযোগ্য উৎস। চলতি অর্থবছরের জন্য এই খাত থেকে ১২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগের বছরের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রার (১৪ হাজার কোটি) চেয়েও কম।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২০১৯ সালে ‘জাতীয় সঞ্চয় স্কিম অনলাইন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ চালুর পর সঞ্চয়পত্র কেনার প্রক্রিয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এক লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে বাধ্যতামূলক টিআইএন, একই নামে বড় অঙ্কে সঞ্চয় সীমাবদ্ধতা এবং জটিল সুদহার কাঠামো-এসব কারণে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা আগ্রহ হারাচ্ছেন।

সুদহারেও নিয়মিত পরিবর্তন হচ্ছে। সর্বশেষ জুলাই মাসে সুদহার ৪৭ থেকে ৫৭ বেসিস পয়েন্ট পর্যন্ত কমানো হয়েছে। এখন সাড়ে ৭ লাখ টাকার বেশি ও কম বিনিয়োগে আলাদা সুদহার প্রযোজ্য, যা অনেকের কাছে জটিল মনে হচ্ছে।

ফলে বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকছেন ট্রেজারি বিল ও বন্ড-এর দিকে। যেখানে ব্যাংক, প্রভিডেন্ট ফান্ড, পেনশন ফান্ড এবং ব্যক্তিগত বিনিয়োগ বেড়েই চলেছে। ২০২৩ সালের জুন শেষে এই খাতে মোট বিনিয়োগ ছিল ২৩ হাজার ১১৫ কোটি টাকা, যা ২০২৫ সালের জুন শেষে বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক লাখ ১৪ হাজার ১৫৯ কোটি টাকায়-মাত্র দুই বছরে প্রায় পাঁচগুণ বৃদ্ধি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ট্রেজারি বিল-বন্ডে বর্তমানে ১২ শতাংশ পর্যন্ত সুদ মিলছে, যা করমুক্ত, নিরাপদ এবং সময়মতো মুনাফা পাওয়ার নিশ্চয়তা রয়েছে। এছাড়া সেকেন্ডারি বাজারে বিক্রির সুযোগ থাকায় এটি ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের কাছে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

ভিওডি বাংলা/জা


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ছবি: সংগৃহীত
সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে আলাদা অনুসন্ধান করবে না বাংলাদেশ ব্যাংক
ছবি: সংগৃহীত
গ্যাস সংকট আরও কয়েকদিন, ভোগান্তিতে সব শ্রেণির গ্রাহক
ছবি: ভিওডি বাংলা
এসডিজি অর্জনে ৫ বছরে আরও ৪২১ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন