• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
logo
শিরোনাম
উত্তরায় পুলিশের অভিযানে ১১টি আইফোন ও স্বর্ণালংকারসহ গ্রেপ্তার ৬ প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে আন্দোলন: মামলা প্রত্যাহারের পথে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু গ্যাস সংকট: মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বললেন তারেক রহমান এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদন কবে শুরু মিরপুরে ১২ ভরি স্বর্ণালংকার চুরি, গৃহকর্মীসহ গ্রেপ্তার ২ ছাত্রদলের গেঞ্জি পরে সারজিস-পাটওয়ারীর গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ স্বাস্থ্যসেবায় ইম্পেরিয়াল-কেডিআরএফের যৌথ উদ্যোগ ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৫১২ ঢাবির ২৩১ শিক্ষকের বিচার চেয়ে উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি রাজধানীতে কলেজের দেয়াল ধসে নিহত ২ আহত ৮

অনুদান সংগ্রহ করতে এনসিপি’র উদ্যোগ


প্রকাশ:  ৪ জুন ২০২৫, ০৭:১৯ পি.এম.
শেয়ার করুন 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
‘আপনার অনুদান, আগামীর বাংলাদেশ’ স্লোগানে ক্রাউডফান্ডিংয়ের (গণচাঁদা সংগ্রহ) উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। বুধবার (৪ জুন) বিকালে রাজধানীর বাংলামোটর দলটি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান দলটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন।

তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লবের পর থেকে দেশের আপামর জনতা এনসিপি বিভিন্নভাবে সাহায্য করতে চেয়েছেন। তার পরিপ্রেক্ষিতেই অনুদান গ্রহণের সিন্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

বিভিন্ন সময় যারা এনসিপির পাশে থাকতে চেয়েছেন, তাদের আর্থিক অনুদান কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আহবান জানিয়েছেন আখতার বলেন, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক আর্থিক পলিসি করতে চায় এনসিপি। এর মধ্য দিয়ে সংগঠনের আয়, ব্যয়, বরাদ্দ, আয়ের উৎস, ব্যয়ের খাত প্রত্যেকটা বিষয়ে সুনির্দিষ্ট পলিসি গ্রহণ করা হয়েছে। 

গত আট মার্চ দলের এক সাংবাদিক সম্মেলনে বার্তা সংস্থা রয়টার্সে প্রকাশিত সাক্ষাৎকারের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে এনসিপির আহবায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছিলেন, আমরা অনলাইন ও অফলাইনে একটা ক্রাউডফান্ডিংয়ের (গণচাঁদা সংগ্রহ) দিকে যাচ্ছি, যে ক্রাউডফান্ডিংয়ের মাধ্যমে আমরা দলের কার্যালয় স্থাপনসহ নির্বাচনী তহবিল সংগ্রহ করবো।

ক্রাউডফান্ডিং কী

বিপুলসংখ্যক মানুষ যখন কোনো ব্যবসা বা উদ্যোগ শুরু করতে তহবিলের জন্য অল্প পরিমাণ করে অর্থ প্রদান করে, সেটাকে ক্রাউডফান্ডিং বা গণতহবিল বলা হয়। সাধারণত এই অর্থ ফেরত দিতে হয় না।গণতহবিল মূলত স্টার্টআপ বা নতুন কোনো ব্যবসা উদ্যোগের জন্য বিকল্প তহবিলের জোগানের একটি পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে মূলত ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে অর্থ সংগ্রহ করা হয়।

গণতহবিলের কয়েকটি ধরন রয়েছে। কখনো ঋণ–সুদসহ ফেরত পাওয়ার আশায় মানুষ কোনো একটা কোম্পানিকে টাকা ধার দেয়। এটা অনেকটা ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার মতোই। তবে এ ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারী অনেক থাকে।

আবার শেয়ার বিক্রির মাধ্যমেও অর্থ আদায় করা হয়। এটা শেয়ারবাজারের মতো হলেও স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত নয়। আবার কোনো পুরস্কার বা সেবা পাওয়ার আশায়ও অর্থ প্রদান হয়। কোনো কিছুর প্রত্যাশা না করেই অনুদান হিসেবেও অর্থ দেওয়া হয়।

ফান্ডেবলডটকম নামের একটি ওয়েবসাইট বলছে, ক্রাউডফান্ডিংয়ের প্রথম সফল ঘটনা ঘটে ১৯৯৭ সালে। ব্রিটিশ রক ব্যান্ড ম্যারিলিওন তাদের পুনর্মিলনী সফর আয়োজনের জন্য ভক্তদের কাছ থেকে অনলাইন অনুদান নিয়েছিল। তাদের এই পদ্ধতিতে অনুপ্রাণিত হয়ে, ২০০১ সালে আর্টিস্টশেয়ার নামের প্রথম ক্রাউডফান্ডিং প্ল্যাটফর্ম গড়ে ওঠে, যারা শিল্পীদের অ্যালবাম তৈরি করতে বা সফরে (ট্যুর) যেতে অর্থ সংগ্রহ করে দেয়।

প্রসঙ্গত, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাজনীতিকদের গণতহবিল সংগ্রহের উদাহরণ রয়েছে।

ভিওডি বাংলা/ এমএই


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ছবি: সংগৃহীত
আপা যেখানেই নামবে সেখানেই ফাঁসি বাস্তবায়ন করবে জনতা: পাটওয়ারী
ছবি: সংগৃহীত
শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত, আহ্বায়ক কমিটি গঠন
ফাইল ছবি
ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ছাত্রদলের মাসব্যাপী কর্মসূচি