• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
logo
শিরোনাম
হেপাটাইটিসমুক্ত দেশ গড়তে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বাধ্যতামূলক অবসরে ৩২ জেলা প্রশাসক আন্তর্জাতিক মানে গড়ে তোলা হবে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা: প্রতিমন্ত্রী টুকু সৌদির তেল স্থাপনায় হুথিদের ড্রোন হামলার দাবি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর সাথে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ উন্নয়ন-সুশাসনে সবাইকে পাশে চাইলেন সারিয়াকান্দির নবাগত ইউএনও দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিলেন মির্জা ফখরুল লুলাকে ‘চোর’ বললেন মিলেই, রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করল ব্রাজিল হাসপাতালের শৌচাগারে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ, সাময়িক বরখাস্ত হলেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে শেষ ধাপে সরকার

বিএনপি কর্মীকে হত্যা মামলায় সাবেক এসপি গ্রেপ্তার

  কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
প্রকাশ:  ২৮ জুলাই ২০২৫, ০৯:০৯ পি.এম.
শেয়ার করুন 0
গ্রেপ্তার হওয়া সাবেক পুলিশ সুপার এস এম তানভীর আরাফাত। ছবি : সংগৃহীত
গ্রেপ্তার হওয়া সাবেক পুলিশ সুপার এস এম তানভীর আরাফাত। ছবি : সংগৃহীত

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে বিএনপি কর্মী কুদরত আলী হত্যা মামলায় জেলার সাবেক পুলিশ সুপার এস এম তানভীর আরাফাতকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সোমবার (২৮ জুলাই) দুপুরে দৌলতপুর আমলি আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তফা পারভেজ এই আদেশ দেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

এর আগেও তিনি আরেক বিএনপি কর্মী সুজন মালিথা হত্যা মামলার প্রধান আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিলেন। বর্তমানে তিনি কুষ্টিয়া জেলা কারাগারে রয়েছেন।

মামলার এজহারে কুদরত আলীর ছেলে অভিযোগ করেন, তার বাবা ছিলেন বিএনপির একজন সক্রিয় সমর্থক। দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে আওয়ামী লীগ সমর্থিত সন্ত্রাসী ও কিছু পুলিশ কর্মকর্তার রোষানলে পড়েন তিনি। তারা তার বাবাকে রাজনৈতিকভাবে নিঃশেষ করার জন্য প্রথমে মিথ্যা মামলায় হয়রানি করে এবং পরে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে।

এজহারে আরও বলা হয়, ২০২০ সালের ২৩ জুলাই রাত ২টার দিকে কুদরত আলীর বাড়ি মুন্সিগঞ্জে হানা দেয় পুলিশ। এ সময় ওসি তদন্ত নিশিকান্ত সরকার, এসআই রোকনুজ্জামান, এসআই মেহেদী হাসান, এসআই শাহজাহান, এএসআই আনিচুর রহমান এবং তৎকালীন পুলিশ সুপার এস এম তানভীর আরাফাতের নেতৃত্বে ১০-১২ জন পুলিশ সদস্য তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।

তিনদিন নিখোঁজ থাকার পর ২৫ জুলাই কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে কুদরত আলীর মরদেহ পাওয়া যায়। বুকের দু’পাশে গুলির চিহ্ন এবং সারা শরীরে নির্যাতনের স্পষ্ট দাগ ছিল বলে দাবি করা হয়। পরদিন ২৬ জুলাই মামলা করতে গেলে ওসি তদন্ত নিশিকান্ত সরকার হুমকি দেন—মামলা করলে তাকেও হত্যা করা হবে। ফলে দীর্ঘদিন ধরেই পরিবারটি ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত ছিল।

এজহারে আরও উল্লেখ করা হয়, দীর্ঘ সময় ভয়ে চুপ থাকলেও ২০২৫ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার দেশত্যাগ ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলে যাওয়ার পর কুদরত আলীর পরিবার মামলাটি দায়ের করার সাহস পায়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোলাইমান শেখ বলেন, ‘দৌলতপুর থানার একটি হত্যা মামলায় এস এম তানভীর আরাফাতকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়েছিল আদালতে। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেছেন।’

ভিওডি বাংলা/ডিআর


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ছবি: সংগৃহীত
রাজাপুরে ইয়াবা-গাঁজাসহ দুই মাদকসেবী আটক
ছবি: সংগৃহীত
চলন্ত বাসে নারীকে ধর্ষণচেষ্টা, তাৎক্ষণিক অভিযানে গ্রেপ্তার ৩
ছবি: সংগৃহীত
এনসিপির সংবাদ সম্মেলন গাজীপুরে আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনের অভিযোগ