• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
logo
শিরোনাম
হেপাটাইটিসমুক্ত দেশ গড়তে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বাধ্যতামূলক অবসরে ৩২ জেলা প্রশাসক আন্তর্জাতিক মানে গড়ে তোলা হবে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা: প্রতিমন্ত্রী টুকু সৌদির তেল স্থাপনায় হুথিদের ড্রোন হামলার দাবি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর সাথে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ উন্নয়ন-সুশাসনে সবাইকে পাশে চাইলেন সারিয়াকান্দির নবাগত ইউএনও দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিলেন মির্জা ফখরুল লুলাকে ‘চোর’ বললেন মিলেই, রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করল ব্রাজিল হাসপাতালের শৌচাগারে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ, সাময়িক বরখাস্ত হলেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে শেষ ধাপে সরকার

এমপিতেই কপাল খোলে সাধন মজুমদারের


প্রকাশ:  ১৪ মার্চ ২০২৫, ১১:৩০ এ.এম.
শেয়ার করুন 0
এমপিতেই কপাল খোলে সাধন মজুমদারের

নওগাঁ প্রতিনিধি

এক সময় ছিলেন চাল ব্যবসায়ী। ২০০৮ সালে প্রথমবার এমপি হন। এরপর শেখ হাসিনার আস্থাভাজন হওয়ায় মন্ত্রীত্ব পান নওগাঁর সাধন চন্দ্র মজুমদার। ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে ‘দাদা লীগ’ প্রতিষ্ঠা করে পুরো নওগাঁর নিয়ন্ত্রণ করতেন তিনি। অনিয়ম দুর্নীতির পাশাপাশি দখলবাজি ও টেন্ডারবাজিসহ এমন কোনো অপকর্ম নেই যা সাধন করেননি। 

আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রয়াত আব্দুল জলিলের হাত ধরে নওগাঁয় রাজনীতিতে আসেন সাধন চন্দ্র মজুমদার। ১৯৯০ সালে ছিলেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। ২০০৮ সালে প্রথমবার নওগাঁ এক আসনের এমপি হওয়ার পরই কপাল খোলে সাধনের। এরপর মন্ত্রীত্ব পেয়ে সাধন যেন জাদুর কাঠি হাতে পান। মন্ত্রণালয়ে পরিবারতন্ত্র, বদলী. বরাদ্দের সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কয়েক হাজার কোটি টাকা বাগিয়ে নেয়ার অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে। 

সাধনের এ অবৈধ সম্পদের একাংশের প্রমাণ মিলে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার নিজের হলফনামায়। যেখানে গত দেড় দশকে তার সম্পদ বেড়েছে ৬ হাজার শতাংশ। নওগাঁয় চালের বাজারে সিন্ডিকেট, সরকারি জলাশয় দখলসহ অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগ থাকলেও সাধনকে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়নি কখনো। কালো টাকাকে সাদা করতে এ মন্ত্রী সবসময়ই মোটা অংকের বিনিয়োগ করতেন নওগাঁর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইথেন এন্টারপ্রাইজে। ক্ষমতার বলে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ইকবাল শাহরিয়ার রাসেল’কে বিতর্কিত নির্বাচনের মাধ্যমে বার বার চেম্বার ভবনের সভাপতি বানাতেন তিনি। রাসেলের মাধ্যমে এলজিইডিসহ নওগাঁর বিভিন্ন দপ্তরের টেন্ডারে ভাগ বসাতেন সাধন চন্দ্র।

সাধনের আপন ছোট ভাই মনোরঞ্জন মজুমদারকে দিয়ে নিজের নির্বাচনী এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিলেন। গত ১৬ বছরে অবৈধভাবে ভোগদখল করেছেন সরকারি বড় বড় জলাশয়। 

মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণ না করেও দ্বিতীয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর প্রভাব খাটিয়ে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটভুক্ত হন সাধন চন্দ্র মজুমদার। প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের চাপে ফেলে অবৈধ সুবিধা নেয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

গত ৫ আগস্টের পর ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর সাবেক এই মন্ত্রী গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছে। 

ভিওডি বাংলা/ এমএইচ


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ছবি: সংগৃহীত
রাজাপুরে ইয়াবা-গাঁজাসহ দুই মাদকসেবী আটক
ছবি: সংগৃহীত
চলন্ত বাসে নারীকে ধর্ষণচেষ্টা, তাৎক্ষণিক অভিযানে গ্রেপ্তার ৩
ছবি: সংগৃহীত
এনসিপির সংবাদ সম্মেলন গাজীপুরে আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনের অভিযোগ