• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
logo
শিরোনাম
যশোর জেলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল কওমী মাদরাসা নিয়ে উদ্বেগ, সংস্কারে ৬ প্রস্তাব শায়খ আহমাদুল্লাহর জনগণ প্রজাতন্ত্রের মালিক, তাদের সর্বোচ্চ সেবা প্রদান করতে হবে: ভূমি প্রতিমন্ত্রী নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন জুলাই সনদের আলোকে হতে হবে উত্তরায় পুলিশের অভিযানে ১১টি আইফোন ও স্বর্ণালংকারসহ গ্রেপ্তার ৬ প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে আন্দোলন: মামলা প্রত্যাহারের পথে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু গ্যাস সংকট: মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বললেন তারেক রহমান এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদন কবে শুরু মিরপুরে ১২ ভরি স্বর্ণালংকার চুরি, গৃহকর্মীসহ গ্রেপ্তার ২ ছাত্রদলের গেঞ্জি পরে সারজিস-পাটওয়ারীর গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ

নিয়ন্ত্রণহীন গোলাপি বাস, হতাশায় রাজধানীবাসী


প্রকাশ:  ২০ মার্চ ২০২৫, ০২:৪৪ পি.এম.
শেয়ার করুন 0
নিয়ন্ত্রণহীন গোলাপি বাস, হতাশায় রাজধানীবাসী

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
কোনোভাবেই শৃঙ্খলায় আসছে না রাজধানীর গণপরিবহন ব্যবস্থা। বাস রুট রেশনালাইজেশনকে নতুন মোড়কে আনার আশা জাগানো গোলাপি বাসও হতাশায় ডুবিয়েছে নগরবাসীকে। যদিও এজন্য কেবল সরকার কিংবা পরিবহন মালিক-শ্রমিক নয়, যাত্রীদের অসচেতনতাকেও দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞ।

রাজধানীর গণপরিবহন খাতকে শৃঙ্খলায় আনতে এতদিন নিয়ম মেনে বৈঠক করত বাস রুট রেশনালাইজেশন সংক্রান্ত কমিটি। কিন্তু ৫ আগস্টের পট পরিবর্তনের পর এখন আর তাও হচ্ছে না।

যাত্রীসেবার মান উন্নয়নে সড়ক পরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরানো, যানজট নিরসন ও দুর্ঘটনারোধে বাস রুট রেশনালাইজেশনকে পাশ কাটিয়ে বেসরকারি উদ্যোগে ছয় ফেব্রুয়ারি চালু হয় কাউন্টার ভিত্তিক নির্দিষ্ট রঙের বাস চলাচল। প্রথম রুট হিসেবে আবদুল্লাপুর হয়ে রাজধানীতে প্রবেশ করা সব বাসের রং নির্ধারণ করা হয় গোলাপি। কিন্তু কয়েকদিন যেতে না যেতেই মুখ থুবড়ে পড়ে এ ব্যবস্থা।
 
সব জায়গায় নেই কাউন্টার, তাই ই-টিকিটিং ব্যবস্থাও চালু হওয়ার আগেই বন্ধ। আর যত্রতত্র গাড়ি থামিয়ে যাত্রী ওঠা-নামা যেন অধিকার। সঙ্গে বাড়তি ভাড়া আর একে অপরকে দোষারোপ তো আছেই। যাত্রীরা বলছেন, ই-টিকিটিং পদ্ধতি রাজধানীবাসীকে আশা জাগিয়েছিল। কিন্তু পরিবহনের কোনো নিয়ন্ত্রণ না থাকায় রাজধানীতে যাতায়াতে যাত্রীরা এখন হতাশ। এ অবস্থায় পরিবহন শ্রমিকদের মানিসক পরিবর্তন কখনোই ঘটবে না।

এদিকে, বেশি টাকা আয় করতে মালিক সমিতির সিদ্ধান্ত মানতে নারাজ পরিবহন শ্রমিকরা। আর সিটি করপোরেশনের অসহযোগিতার অভিযোগ আছে ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির। সমিতির কোষাধ্যক্ষ এ এস এম আহম্মেদ খোকন বলেন, ‘চুক্তি পদ্ধতিটা মালিক ও শ্রমিকের মধ্যে বিষফোঁড়ার মত হয়ে গেছে। তাই আমরা কাউন্টার পদ্ধতিতে চালুর করতে চেয়েছি। কিন্তু সিটি করপোরেশনের সহযোগিতা আমরা পাচ্ছি না। যখন আমরা কাউন্টার বসাতে যাই তখন বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।’  
 
মেট্ররেলের মতো সরকারি মালিকানা ভিত্তিক কোম্পানি গঠন করে চলতি বাসগুলোকে অধিগ্রহণ করলেই সমাধান আনা সম্ভব বলে মনে করছেন যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. এম হাদিউজ্জামান।
 
তিনি বলেন, ‘স্টেট অন কোম্পানি করা হলে সেখানে সরকারের নিয়ন্ত্রণ থাকবে। যে বাসগুলোর আয়ুষ্কাল পেরিয়ে গেছে কোম্পানি চাইলে সেগুলো রাস্তা থেকে উঠিয়ে নিতে পারবে। এখন যারা ব্যবসা করছেন তারাও কিন্তু কোম্পানির শেয়ারহোল্ডার হতে পারবেন। তারা সেখানে বিনিয়োগ করবেন। ধীরে ধীরে বাসের স্ট্রাকচারেও পরিবর্তন আনা সম্ভব। তখন ইকোসিস্টেমটা ঠিক হয়ে যাবে।’    
 
বিআরটিএর হিসেবে বর্তমানে রাজধানীর ২৯১টি রুটে চলাচল করা বাসের সংখ্যা ৯ হাজার ২৭টি। উন্নত নগরীর মতো সব বাসকে এক ছাদের নিচে আনতে যাত্রীদেরও নিয়ম মেনে চলায় অভ্যস্ত হতে হবে বলে মনে করেন খাত সংশ্লিষ্টরা।

ভিওডি বাংলা/ এমএইচ


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ছবি: ভিওডি বাংলা
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ায় সংযত বিএনপি
ছবি: সংগৃহিত
ভারতের তরুণদের আন্দোলন কোথায় গিয়ে থামবে?
ছবি: সংগৃহিত
রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে দায়িত্ব কার, কী বলছে সংবিধান