• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
logo
শিরোনাম
উত্তরায় পুলিশের অভিযানে ১১টি আইফোন ও স্বর্ণালংকারসহ গ্রেপ্তার ৬ প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে আন্দোলন: মামলা প্রত্যাহারের পথে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু গ্যাস সংকট: মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বললেন তারেক রহমান এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদন কবে শুরু মিরপুরে ১২ ভরি স্বর্ণালংকার চুরি, গৃহকর্মীসহ গ্রেপ্তার ২ ছাত্রদলের গেঞ্জি পরে সারজিস-পাটওয়ারীর গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ স্বাস্থ্যসেবায় ইম্পেরিয়াল-কেডিআরএফের যৌথ উদ্যোগ ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৫১২ ঢাবির ২৩১ শিক্ষকের বিচার চেয়ে উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি রাজধানীতে কলেজের দেয়াল ধসে নিহত ২ আহত ৮

পশ্চিমবঙ্গে হাজারো স্কুল শিক্ষকের চাকরি বাতিল


প্রকাশ:  ১১ এপ্রিল ২০২৫, ০৭:১৯ পি.এম.
শেয়ার করুন 0
পশ্চিমবঙ্গে হাজারো স্কুল শিক্ষকের চাকরি বাতিল

ভিওডি বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট

এক সঙ্গে প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল হয়ে যাওয়ায় সংকটে পড়েছে পশ্চিমবঙ্গের স্কুল শিক্ষা ব্যবস্থা। সুন্দরবন অঞ্চলের প্রত্যন্ত এলাকা ঝড়খালির বিরিঞ্চিবাড়ি সুরেন্দ্রনাথ বালিকা বিদ্যালয়। স্কুলটিতে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানো হয়, ছাত্রীর সংখ্যা ৪৯৮ জন।

গত সপ্তাহে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট যখন নির্দেশ দিল যে, ২০১৬ সালে নিযুক্ত প্রায় ২৬ হাজার স্কুল শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল করতে হবে, তখনই ঝড়খালির ওই স্কুলটির প্রধান শিক্ষিকা অরুসীমা মিত্রর মাথায় হাত পড়ে গিয়েছিল।

ওই স্কুলটিতে প্রায় পাঁচশোজন ছাত্রীর জন্য এমনিতেই নয়জন শিক্ষক ছিলেন। সুপ্রিম কোর্টের রায়ে চাকরি বাতিল হয়ে গেছে তার মধ্যে চার জনের।

প্রধান শিক্ষিকা মিজ মিত্র বলছিলেন, "নয় জন শিক্ষক দিয়েই কোনোমতে স্কুলটা চলছিল। প্রত্যেককেই প্রচুর কাজের চাপ নিতে হয়। আমি নিজেও ক্লাস নেই নিয়মিত। কিন্তু এখন যেটা হলো, তাতে তো স্কুল চালানোটাই ভীষণ কঠিন হয়ে পড়ল।"

একই অবস্থা পশ্চিমবঙ্গের হাজার হাজার স্কুলে। কোথাও মোট শিক্ষকের অর্ধেক সংখ্যক, কোথাও আবার একজনই শিক্ষক ছিলেন, তারও চাকরি বাতিল হয়ে গেছে সুপ্রিম কোর্টের রায়ে।

কোনো স্কুলে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকরা এসে অবস্থা সামাল দিচ্ছেন। সামাজিক মাধ্যমে অনেকেই পোস্ট করছেন যে, তারা বিনা পারিশ্রমিকে স্কুলে পড়িয়ে দিতে চান।

কোথাও আবার শিক্ষাকর্মী নেই বলে স্কুলের ঘণ্টা বাজাতে হচ্ছে প্রধান শিক্ষককেই। মিজ অরুসীমা মিত্রর বলছিলেন, শুধু তার স্কুল নয়, পুরো রাজ্যের স্কুল শিক্ষা ব্যবস্থাটাই প্রায় ধসে পড়েছে এই রায়ের ফলে।

তার কথায়, "আমাদের বিজ্ঞানের শিক্ষক নেই, ভূগোলের শিক্ষক নেই। আগামী বছর যে ছাত্রীরা উচ্চ মাধ্যমিক দেবে, তাদের কে পড়াবে এখন? ওদের ভবিষ্যতটা কী হবে, সেটা ভেবেই তো দুশ্চিন্তা হচ্ছে," বলছিলেন মিজ অরুসীমা মিত্র।

প্রধান শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষিকাদের একটি সংগঠন অ্যাডভান্সড সোসাইটি ফর হেডমাস্টার্স অ্যান্ড হেড মিসট্রেসেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক চন্দন মাইতি বলছিলেন, "এমনিতেই বছর দশেক ধরে প্রয়োজনীয় শিক্ষক নিয়োগ হয়নি, অনেক শিক্ষক অবসর নিচ্ছেন, পদ ফাঁকা হয়ে যাচ্ছিল।

"এর ওপরে এই রায়ের ফলে প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল যোগ হলো। এর ফল যেটা হবে ছাত্রছাত্রীরা স্কুলে আসা বন্ধ করে দেবে। অনেক স্কুলে তারা আসছেও না।"

"এমনিতেই স্কুল থেকে ঝড়ে পড়ে অনেক ছাত্র-ছাত্রী, তার ওপরে যদি শিক্ষক না থাকে তাহলে তো আরও আসবে না তারা স্কুলে," বলছিলেন মি. মাইতি।

ভিওডি বাংলা/এম 


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ছবি: সংগৃহীত
যে শর্তে আন্দোলন থেকে পিছু হটল 'তেলাপোকারা'
ছবি: সংগৃহীত
ইরাকে ড্রোন হামলা, বিস্ফোরণে কাঁপলো কুর্দিস্তান
ছবি: সংগৃহীত
ওয়াশিংটনে গেলেন নেতানিয়াহু